যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

নড়াইল জেলা হাসপাতাল বেতনের টাকা নয় ছয়, ৭ মাস আউটসোর্সিং কর্মীদের বেতন বন্ধ

নড়াইল জেলা হাসপাতাল বেতনের টাকা নয় ছয়, ৭ মাস আউটসোর্সিং কর্মীদের বেতন বন্ধ

 

নড়াইলপ্রতিনিধি,
নড়াইল জেলা হাসপাতালে ৪৫ জন আউটসোর্সিং কর্মী ৭ মাস ধরে বেতন পাচ্ছে না বলে জানা গেছে। এতে পরিবার নিয়ে চরম কষ্টে দিন কাটছে এসব আউটসোর্সিং কর্মীদের। দীর্ঘ অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নড়াইল টাউন মেডিকেল সার্ভিস লিমিটেড এর অনিয়ম, দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্যের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে আউটসোর্সিং কর্মীদের জীবন।

নড়াইল জেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে ৪৫ জন আউটসোর্সিং কর্মী রয়েছেন। প্রতি মাসে ১৭ হাজার ৬৩০ টাকা, ১৭ হাজার ১৩০ টাকা, ১৬ হাজার ৪৩০ টাকা, ১৬ হাজার ১৩০ টাকা করে তাদের বেতন পাওয়ার কথা। এই টাকা যাওয়ার কথা তাদের ব্যাংক হিসাবে। তবে শ্রমিকরা বলছেন, বেতন তাদের অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয় না। কর্মীদের কাছ থেকে চেকবই এর পাতায় সই নেওয়া হয়। পরে ৪ হাজার থেকে শুরু করে ৬ হাজার ৮ হাজার ১০ হাজার টাকা করে ভাগ করে দেওয়া হয় জনপ্রতি।

 

বিদ্যুৎ বাগচি নামে একজন আউটসোর্সিং কর্মী জানান, তিনি নড়াইল জেলা হাসপাতালের জ্যৈষ্ঠ নার্স অঞ্জনার মাধ্যমে দেড় লাখ টাকা দিয়ে এ চাকরিতে ঢুকেছেন। এ বিষয়ে নার্স অঞ্জনার কাছে জানতে চাইলে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, আমি টাকা নিয়ে আউটসোর্সিংয়ের ঠিকাদারকে দিয়েছি।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও কয়েকজন আউটসোর্সিং কর্মী বলেন, আমরা যখন এখানে চাকরি নিছি তখন আমাদের কাছ থেকে ৫০ হাজার থেকে শুরু করে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়েছে। এরপরও আমরা ঠিকমতো বেতন পাই না। চাকরি যাওয়ায় ভয়ে তারা প্রতিবাদ করতে পারেন না এমনটাও জানিয়েছেন অনেকে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নড়াইল টাউন মেডিকেল সার্ভিস লিমিটেড এর মালিক মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, আমি কোনো কর্মীর কাছ থেকে কোনো প্রকার টাকা নেইনি। আমি টাকা নিয়েছি এটা কেউ বলতে পারবে না। নড়াইল জেলা হাসপাতালে ৪৫ জন শ্রমিকের বিপরীতে ৭৬ জন শ্রমিক কাজ করে। এজন্য ৪৫ জনের বেতনের টাকা ৭৬ জনকে ভাগ করে দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জটিলতার কারণে শ্রমিকদের বেতন দিতে দেরি হচ্ছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com